মোঃ জহিরুল ইসলাম খান সুমন

ভাল লাগা কিছু কথা

নিজের ভিপিএস – (ভিপিএস কী, কেন দরকার,ওয়েব সার্ভার সেটআপ)

নিজের ভিপিএস – ০ (ভিপিএস কী, কেন দরকার)
http://forum.projanmo.com/t7552.html
নিজের ভিপিএস – ১ (ওয়েব সার্ভার সেটআপ)
http://forum.projanmo.com/t7550.html

নভেম্বর 10, 2008 Posted by zahirulislam | Uncategorized | | No Comments Yet

ড. মুহম্মাদ কুদরাত ই খুদা

৩রা নভেম্বর ড. মুহম্মাদ কুদরাত ই খুদার মৃত্যুবার্ষিকী। নভেম্বর মাস এদেশের বিজ্ঞান কর্মীদের জন্য শোকাবহ।কারন এই মাসেই আমরা হারিয়েছি আব্দুল্লাহ আল মুতী, জগদীশ চন্দ্র বসু, আ মু জহুরুল হক সহ অনেককে যাঁরা ছিলেন বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার প্রবাদপুরুষ। আসুন আমরা তাঁদের কর্মময় জীবন ও অবদানকে স্মরণ করি।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও লেখক ড. মুহম্মাদ কুদরাত ই খুদা জন্মগ্রহণ করেন ১৯০০ সালের মে মাসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিরভুম জেলায় মারগ্রামে একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে।

শিক্ষা জীবনঃ

তার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় মারগ্রামে মাধ্যমিক ইংরেজি বিদ্যালয়ে।পরবতির্তে তিনি উডবার্ন মাধ্যমিক ইংরেজি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন।১৯১৮ সালে কলকাতা মাদ্রাসা থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।১৯২৪ সালে প্রেসিডেন্সী কলেজের M. Sc. ছাত্র হিসেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। মেধার স্বীকৃতি স্বরুপ তাঁকে সোনার মেডেল প্রদান করা হয়। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নে উচ্চতর গবেষণার জন্য প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বৃত্তি লাভ করেন। ১৯২৯ সালে তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে D. Sc. ডিগ্রী লাভ করেন।

কর্মজীবনঃ

ড. কুদরাত ই খুদা ১৯৩১ প্রেসিডেন্সী কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৩৬ সালেই তিনি রসায়ন বিভাগে বিভাগীয় প্রধান হন। ১৯৪২ থেকে ১৯৪৪ পযর্ন্ত তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ১৯৪৬ এ তিনি আবার প্রেসিডেন্সী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে ফিরে আসেন। এসময় তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দেশ বিভাগের পর তিনি পুবর্পাকিস্তানে চলে আসেন এবং সরকারি জনশিক্ষার প্রধান হিসেবে ১৯৪৯ সাল পযর্ন্ত কাজ করেন। ১৯৪৯ সালে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা পদে উন্নীত হন। মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি ১৯৫২ থেকে ১৯৫৫ সাল পযর্ন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ডেরও চেয়ারম্যান ছিলেন।

বাংলাদেশের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে অবস্থিত বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর তিনি প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক(১৯৭৩-৭৫)। তিনি বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষনা পরিষদ (BCSIR) এর প্রথম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯৫৫-৬৬)। তাঁর নামে প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন সড়কের নাম দেওয়া হয়েছে। তাঁর অনুমদনের ফলে চারুকলা ইনস্টিটিউট গঠিত হয়।

পুরস্কারঃ

তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ পাকিস্তান সরকারের তামঘা-ই-পাকিস্তানএবংসিতারা-ই-ইমতিয়াজপুরস্কার লাভ করেন।১৯৭৬ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তে অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক এবং ১৯৮৪ সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ভূষিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে। তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির ফেলো ছিলেন।

শিক্ষা কমিশন গঠনঃ

বাংলাদেশে শিক্ষা পুনবির্ন্যাস করার প্রথম পদক্ষেপ হল জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন যা কুদরত ই খুদা শিক্ষা কমিটি নামেই বহুল পরিচিত। স্বাধীনতা লাভের মাত্র ছয় মাসের মধ্যে ১৯৭২ সালে যাত্রা শুরু করে ১৯৭৪ সালের মে মাসে এই কমিশন রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টের প্রথম অধায়ে শিক্ষাকে বলা হয়েছেসামাজিক পরিবর্র্তনের হাতিয়ার। তাঁর রিপোর্টে অষ্টম শ্রেণী পযর্ন্ত প্রাথমিক, দ্বাদশ শ্রেণী পযর্ন্ত মাধ্যমিক শিক্ষার প্রস্তাবনা করা হয়।

প্রকাশনাঃ

তিনি বিজ্ঞানের সরস কাহিনী, বিজ্ঞানের বিচিত্র কাহিনী, বিজ্ঞানের সূচনা, জৈব রসায়ন (৪ খন্ড), পুবর্পাকিস্তানে শিল্প সম্ভাবনা, পরমাণু পরিচিতি, বিজ্ঞানের পহেলা কথা নামের পুস্তক রচনা করেন। তাঁর আনুকুল্যে ১৯৬৩ সালে মাগাজিন পুরগামী বিজ্ঞানএবং ১৯৭২ সালে বিজ্ঞানের জয়জাত্রাপ্রকাশিত হয় । পবিত্র কুরআনের পুতকথাএবং অঙ্গারী যাওয়ারাতাঁর লেখা ধমী র্য় গ্রন্থ ।

আবিষ্কারঃ

কুদরাত এ খুদার বিশেষজ্ঞতার বিষয় ছিল গাঠনিক জৈব রসায়ন। তিনি ফেলে দেওয়া চা পাতা থেকে ক্যাফিন নামে একটি ওষুধ প্রস্তুত করেন। জৈব রাসায়নিক উপাদান পৃথক করার অনেকগুলো প্রক্রিয়া তিনি ও তাঁর সহকর্মীবৃন্দ আবিষ্কার করেন এবং এবিষয়ে ১৮টি আবিষ্কার কৃতিস্বত্বভুক্ত (patented) করেন। পাটখড়ি থেকে পারটেক্স তাঁর উল্লেখযোগ্য আবিষ্কারের একটি। আখ ও খেজুরের রস থেকে মল্ট ও সির্কা, পাট ও পাটখড়ি থেকে রেয়ন ও কাগজ তাঁর অন্যতম আবিষ্কার। এছাড়া তিনি ভেষজ, পাট, লবন, মাটি, কয়লা ও খনিজ দ্রব্য নিয়ে গবেষণা করেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন, এবং বাংলাদেশের জাতীয়তা বিকাশে বিশেষ অবদান রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৪ সাল থেকেকুদরাত এ খুদাবৃত্তি চালু করা হয়। জীববিজ্ঞান, কলা, সমাজিক বিজ্ঞান ও আইন অনুষদের সকল বিভাগে সম্মান শেষ বর্ষে সবোর্চ্চ নম্বর অর্জনকারীকে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়।তাঁর নামে স্বর্ণপদক প্রবর্তিত হয়েছে।

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পথিকৃত এই মহান বিজ্ঞানী ১৯৭৭ সালের ৩রা নভেম্বর ঢাকায় পরলোকগমন করেন।

সূত্র: জীয়নতরী

নভেম্বর 3, 2008 Posted by zahirulislam | Uncategorized | | No Comments Yet

বাংলায় লেখার জন্য সকল তথ্য

বাংলায় লেখার জন্য সকল তথ্য এই ঠিকানায় পাওয়া যাবে। জিপ ফাইল ডাউনলোড করে নিতে হবে। উইন্ডোজের ভারসন অনুসারে।

http://ekushey.org/?page/system_requirements

অক্টোবর 29, 2008 Posted by zahirulislam | Uncategorized | | No Comments Yet

অফিস ২০০৩তে ইউনিজয় সমস্যা

যারা অফিস ২০০৩ ব্যবহার করেন। তাদের ইউনিজয় টাইপিংএ কার্য়বলী লিখতে সমস্যা হয়। অর্থাৎ (র্য) য-রেফ দিলে র-এ জফলা হয়ে যায়। তারা এ সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে চাইলে এই ঠিকানাটিতে ক্লিক করুন।

USP10.dll ফাইলটি ডাউনলোড করে C:\Program Files\Common Files\Microsoft Shared\OFFICE1x ওভার রাইট করুন।

অক্টোবর 28, 2008 Posted by zahirulislam | Uncategorized | | No Comments Yet

এডমিন/ইউজার পাসওয়ার্ড খোলার উপায়

windows এর এডমিন / ইউজার পাসওয়ার্ড ক্র্যাক/ ভাঙ্গার জন্য windows Gate ব্যবহার করে খুব সহজেই তা করা যায়

আসুন দেখে নেওয়া যাক এর জন্য কি কি প্রয়োজন হবে

  • এক্স. পি এর লাইভ ডিস্ক সাথে windows Gate সফটওয়্যার
  • সিডি রম ড্রাইভ ( এটি সব কম্পিউটারের একটি করে থাকে, লাইভ এক্স .পি এর ইউ. এস বি, ভাশন এখনো করতে পারি নাই)
  • কম পক্ষে ১২৮ এম বি র‌্যাম

এটি নিম্নের তালিকায় দেওয়া windows এর ভার্সনে কাজ করবে

  • ২০০৮
  • ভিস্তা
  • ২০০৩
  • এক্স. পি
  • ২০০০
  • ( ৩২ / ৬৪ বিট ) উভয় প্রকারের জন্য কার্যকর

শুরু করি

নিচের লিংক হতে এক্স পি এর লাইভ ভার্সন ডাউনলো করে নিনএবং আপজিপ করে এর I.S.O ফাইলটা নিরো বা এই জাতীয় কোন সিডি বার্নার সফট দিয়ে তা সিডিতে রাইট করে নিন

এবার আপনি যে কম্পিউটারে এডমিন/ ইউজার পাসওয়ার্ড খোলতে চান সেটি চালু করুন এবং সেটির বায়োস প্রবেশ করে বুট সিকোয়েন্স এর ফাস্ট ডিভাইস হিসেবে সিডি/ ডিভিডি রম নির্ধারন করুনসেটিং সেইভ করুন এবং এক্স. পি এর লাইভ ডিস্ক প্র্রবেশ করিয়ে কম্পিউটার বুট করুনএই অবস্থায় সি ডি হতে বুট করার জন্য কী বোর্ড হতে যে কোন একটি কী প্র্রেস করুন ( প্রেস করার ম্যাসেজ আসলে)

এবার windows সরাসরি সিডি হতে লোড হবে, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, লোড হওয়া পর্যন্ত

এখন

Start>Programs>Unlockers>Windows Gate এ ক্লিক করুন

C:[]-windowsXp[5.1.2600.2180(xpsp_sp2_rtm.040803-2158)]  লাইনটি সিলেক্ট করুন

অতপর

Available gates অপশন হতে

Msv1_0.dll.patch (check to disable logon password validation) চেক বক্স এ টিক মার্কস দিন

close (X) বাটনে ক্লিক করুন

কম্পিউটার রিস্টাট করে লাইভ ডিস্ক বের করুন

এবার

নরমালি হার্ডডিস্ক হতে বুট করুন এবং লগইন স্ক্রীনে পাসওয়ার্ড টেক্স এ কোন কিছু টাইপ না করে শুধু মাত্র এন্টার প্রেস করুন

বি: দ্র: ডাউন লোড এর সুবিধার জন্য আমি এটার অন্যান্য ইউটিলিটি গুলো বাদ দিয়ে শুধু মাত্র windows Gate সফটওয়্যারটি যুক্ত করে দিয়েছি

সেপ্টেম্বর 29, 2008 Posted by zahirulislam | Uncategorized | | No Comments Yet